নিজস্ব প্রতিবেদক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে সিলেটের আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ছাত্রদল নেতা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত-১ এ মামলাটি দায়ের করেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ এবাদুর রহমান (৩১)। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে আসামী করা হয়। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রদানের জন্য সিলেটের কোতোয়ালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত মো. নুর উদ্দিনের পুত্র, বর্তমানে সিলেট নগরীর তালতলাস্থ সুরমা টাওয়ারের বাসিন্দা এবং বড়লেখা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এবাদুর রহমান (৩১) এর বিরুদ্ধে কয়েকদিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সংঘবদ্ধভাবে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাকে চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, নারীবাজ ও সন্ত্রাসী উল্লেখ করে নানা কটুক্তিমুলক পোষ্ট করা হয়। এর প্রতিবাদ করলেও আসামীরা এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত না থেকে উল্টো নানা ধরণের হুমকী ধামকী প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে তিনি বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত-১ এ একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামীগণ হলেন, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানার গ্রামতলা গ্রামের মখলিছুর রহমানের পুত্র মো. সানোয়ার রহমান চৌধুরী (৩০), সিলেট নগরীর নাইওরপুল বঙ্গবীর আবাসিক এলাকার আখলাক আহমদ চৌধুরীর পুত্র রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী (৩২), সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার দেওয়ানবাজার ইউপির ১নং ওয়ার্ডের মো: আবুল কালামের পুত্র মো: আবুল খায়ের (২৯), সিলেট নগরীর শাহপরান থানাধিন ৩৪নং ওয়ার্ডের বহর আবাসিক এলাকার গাজী সালাহউদ্দিন (৩৪), শাহপরান থানাধিন মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকার সফিক উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র জামিরুল ইসলাম চৌধুরী (৩২), জৈন্তাপুর থানার হাজারী সেনগ্রাম গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র ফয়েজ আহমদ (২৪), হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার ঘোলডুবা গ্রামের মো: শফিকুর রহমানের পুত্র মো: কাউসার আহমদ (২৪), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার পালপুর গ্রামের মো: রুসমত আলীর পুত্র মোহাম্মদ হামিদ (৩৩) ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার বর্ণী গণেশরচক গ্রামের নজির আলীর পুত্র মো: ছাদ উদ্দিন (৩৭)।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার মোক্কেলের বিরুদ্ধে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে তার সামাজিক মান মর্যাদা বিনষ্টের পাশাপাশি জীবন হুমকীর মুখে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তিনি ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধি আইনের ১৫৩(ধ)৫০০/৫০১/৫০৬(২)/৫১১/৩৪ ধারায় আদালতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আদালতে অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এসএমপির কোতোয়ালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন