সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হিরু, নির্বাচনে আলোচনায় নাম.....
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় রাজনীতির পালাবদলের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ প্রায় আড়াই যুগ পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর প্রভাব তৃণমূল পর্যায়েও পড়েছে স্পষ্টভাবে। দলীয় তৎপরতা, সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ এবং ভোটারদের মাঝে আগ্রহ—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে নির্বাচনী আবহ।
এরই মধ্যে আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে এ এইচ এম জহিরুল হক (হিরু)-এর নাম। পথচলা শুরু। সময়ের পরিক্রমায় তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন সক্রিয় সামাজিক সংগঠক ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে। শিক্ষা, মানবিক সহায়তা, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নমূলক নানা কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত থাকায় এলাকায় তার রয়েছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা।
স্থানীয়দের মতে, তরুণ নেতৃত্বের উদ্যম, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা—এই তিনের সমন্বয় তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলাদা করেছে। রাজনৈতিক সচেতন মহলও মনে করছে, সঠিক কৌশল ও সমর্থন পেলে তিনি হয়ে উঠতে পারেন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। যদিও একই পদে দলীয় ও স্বতন্ত্র আরও কয়েকজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে, ফলে ৩৬ নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে হাড্ডাহাড্ডি—এমনটাই ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
সম্ভাব্য প্রার্থী এ এইচ এম জহিরুল হক (হিরু) বলেন, “আমি রাজনীতিকে ক্ষমতার নয়, সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখি। ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমান-এর নির্দেশনা অনুসরণ করে জনমুখী ও কল্যাণভিত্তিক রাজনীতির চর্চা করতে চান এবং ওয়ার্ডবাসীর আস্থা অর্জনই তার প্রধান লক্ষ্য।
তিনি দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। পবিত্র আমানত হিসেবে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার আহ্বানও জানান তিনি।
সব মিলিয়ে, আসন্ন নির্বাচনে ৩৬ নং ওয়ার্ডে উত্তেজনা ও প্রত্যাশার পারদ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। এখন দেখার বিষয়—শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কার ঝুলিতে যায় বিজয়ের মুকুট।
হিরু বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করতে চাই না, কাজের রাজনীতি করতে চাই। ৩৬ নং ওয়ার্ডকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সেবামুখী ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।” তিনি জানান, তারেক রহমান-এর জনকল্যাণভিত্তিক রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে তিনি মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চান।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—ওয়ার্ডে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সড়ক সংস্কার, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা। এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন হিরু।
তিনি ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের ভোট শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি একটি পবিত্র আমানত। আমি কথা দিচ্ছি—আপনাদের আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রাখবো ইনশাআল্লাহ।”
সব মিলিয়ে ৩৬ নং ওয়ার্ডে এবার শুধু প্রার্থী নয়, যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার আহ্বান উঠেছে ভোটারদের মাঝে। এখন সিদ্ধান্ত ওয়ার্ডবাসীর—কার হাতে তারা তুলে দেবেন আগামী দিনের উন্নয়ন ও সেবার দায়িত্ব।
মন্তব্য করুন