
মতিন খাঁর ছেলে ও অনুসারীদের তৎপরতায় নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ
স্টাফ রিপোর্টার::
অভিযোগ রয়েছে, চোরাকারবারসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মতিন খাঁ ও তার সংঘবদ্ধ চক্র পুলিশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে এবং হয়রানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতেই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এছাড়াও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, সাংবাদিক পরিচয়ধারী কিছু ব্যক্তিÑযাদেরকে স্থানীয়রা ফ্যাসিস্ট ঘরানার বলে আখ্যা দিচ্ছেনÑএই অপকর্ম ও অপপ্রচারে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, তারা তথাকথিত সংবাদ পরিবেশনের আড়ালে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়িয়ে মতিন খাঁ ও তার অনুসারীদের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টা করছেন।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে নানা তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, মতিন খাঁর অনুসারীদের নিয়ে গঠিত ‘খাঁ বাহিনী’ এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“অপকর্মের পাশাপাশি এখন মিথ্যা খবর ও অপপ্রচারের মাধ্যমে পুলিশ ও প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। সাংবাদিক পরিচয়ে যারা এতে সহায়তা করছে, আইনের আওতায় এনে তাদের ভ‚মিকা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সামগ্রিক পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ডেভিল মতিন খাঁসহ তার ছেলে ও অনুসারিদের অতিসত্ত¡র গ্রেফতারের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
শহরতলীর খাদিম নগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি, সদর উপজেলা তাঁতীলীগ ‘ডেভিল মতিন খাঁ’ এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মতিন খাঁ-সহ তার ছেলে ও অনুসারীরা এলাকায় প্রভাব বজায় রেখে নানা ধরনের অপকর্ম ও ভীতি সৃষ্টিমূলক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মতিন খাঁ’র ছেলেরা প্রকাশ্যে তাদের বাবার আওয়ামী লীগের পদ-পদবি অস্বীকার করে দাবি করছেন যে তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মী নন। তবে এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পরিচয় অস্বীকার করলেও তাদের কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আসেনি।