রবিবার , ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক‌্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. ছাতক
  7. জাতীয়
  8. তথ্য প্রযুক্তি
  9. ফটো গ্যালারি
  10. ফিচার
  11. বিনোদন
  12. ভিডিও গ্যালারি
  13. মৌলভীবাজার
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল

আজ থেকে বন্ধ হচ্ছে ক্বিন ব্রিজে যান চলাচল

প্রতিবেদক
Today Sylhet24
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংস্কারের জন্য আজ রোববার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সিলেট নগরীর ক্বিন ব্রিজে দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হচ্ছে। পুরনো এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। তবু প্রতিদিন সেতুর উপর দিয়ে সুরমা নদীর এপাড়-ওপাড় হচ্ছে অসংখ্য যানবাহন। ফলে দেখা দিয়েছে ঝুঁকি।

এ অবস্থায় ঐতিহাসিক এই সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার কাজের জন্য রোববার থেকে এই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। তবে এই সময়ে পায়ে হেঁটে সেতুটি পারাপার হতে পারবেন পথচারীরা।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিন শিহাব  জানান, ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া ঐতিহাসিক ক্বিন ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য রোববার থেকে সেতুটি দিয়ে রিকশাসহ সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ মিলে সমন্বিতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ক্বিনব্রিজ সংস্কারের কাজ শেষ হলে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য ফের খুলে দেওয়া হতে পারে, তবে ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে এই সেতুটিকে রক্ষণের জন্য এর উপর দিয়ে যান চলাচল একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে সিলেট নগরীর শেখঘাট এলাকায় সুরমা নদীর উপর নির্মিত কাজিরবাজার সেতু দিয়ে সব ধরণের যান চলাচেলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হতে পারেও জানান সিসিকের এ কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ আমলে ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর এই ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্রিজটির নির্মাণ শেষে ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। আসাম প্রদেশের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল ক্বিনের নামে এই সেতুর নামকরণ করা হয় ক্বিন ব্রিজ। দৃষ্টিনন্দন লোহার পিঞ্জিরার ওপর লাল রং দেওয়া ব্রিজটির অবকাঠামো দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষে সিলেট শহর থেকে পাক সেনারা পালিয়ে যাওয়ার সময় ঐতিহাসিক ক্বীন ব্রিজে মাইন বিস্ফোরণ ঘটালে এর একাংশ ধসে যায়। পরে সরকার এটি পুনর্নির্মাণ করে।

সর্বশেষ - শীর্ষ সংবাদ