নোটিশ:
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন!
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ পৌর আওয়ামী- স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক,ও সমাজ সেবক মোঃ বাবলু।

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ পৌর আওয়ামী- স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক,ও সমাজ সেবক মোঃ বাবলু।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলাবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ  জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ পৌর আওয়ামী- স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক,তরুন সমাজ সেবক মোঃ বাবলু।
এক শুভেচ্ছা বার্তা মোঃ বাবলু বলেন, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আযহার ঈদ। কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। তিনি বলেন, সবাই সাধ্যমতো সেরা পশু কুরবানি দেবেন ঈদে। তবে এবার উৎসবের আমেজ ম্লান করে দিয়েছে উজান থেকে আসা ভয়াবহ বন্যা। এই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ আমাদের সুনামগঞ্জবাসী। সবাই একসাথে কাধে কাধে মিলিয়ে একে অন্যের প্রতি দয়া ও মহানুভবতা দেখিয়ে আমাদের চলতে হবে।
তিনি বলেন, মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে ইসলামের আদি পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) প্রদর্শিত কোরবানির দীক্ষায় দিক্ষিত হয়ে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবে ধর্মপ্রাণ সারা বিশ্বের মুসলমানরা।
কোরবানির ঈদ মুসলিম সমাজের ত্যাগের উৎসব। ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি এমনই শিক্ষা পাওয়া যায় এই ঈদ থেকে কোরবানি মানে নৈকট্য বা সান্নিধ্য লাভ করা।
প্রায় চার হাজার বছর আগে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় হযরত ইব্রাহিম (আ.) তার ছেলে ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরম করুণাময়ের অপার মহিমায় ইসমাইলের (আ.) পরিবর্তে একটি ভেড়া বা দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। সেই ত্যাগের মহিমায় মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রাপ্তির আশায় পশু কোরবানি করে থাকে। তবে ঈদের পরও ৩ দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ জিলহজ্ব পশু কোরবানি করার ধর্মীয় বিধান রয়েছে।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমান এই দিনে পশু কোরবানি করে থাকেন। বিপুল সংখ্যক পশুর বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি বয়ে আনতে পারে। রোগ জীবাণু ছড়িয়ে ম্লান করে দিতে পারে ঈদের আনন্দ। একটু সচেতনতাই পারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করতে।
কোরবানির পশুর বর্জ্য নিষ্কাশনে যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হতে পারে। সমাজে সকলে মিলে একটু খেয়াল আর সচেতনতাই পারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করতে।
কোরবানির পর পশুর রক্ত, জবাইকৃত বজ্য ও তরল বর্জ্য খোলা স্থানে রাখা যাবে না। এগুলো গর্তের ভেতরে পুঁতে মাটি চাপা দিতে হবে। কারণ রক্ত আর নাড়ি-ভুঁড়ি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। আর যদি রক্ত মাটি থেকে সরানো সম্ভব না হয়, তা হলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। কোরবানির বর্জ্য পলিথিনে করে রেখে দিতে হবে, যাতে ময়লা পরিবহন দ্রুততার সঙ্গে করা যায়। কাজের ক্ষেত্রে অপরের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। নাড়ি-ভুঁড়ি বা এ জাতীয় বর্জ্য কোনো ভাবেই পয়ঃনিষ্কাশন নালায় ফেলা যাবে না। মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি সকলের উদ্যোগ থাকলে রোগজীবাণু, দুর্গন্ধ বাতাসে ছড়াতে পারবে না। সবশেষে আমার সবার প্রতি অনুরোধ রইল, যেহেতে আমার বন্যার ফলে খুবেই ক্ষতিগ্রস্থ আসুন আমারা যারা খেটে খাওয়া দিনমজুর যারা তাদের পাশে দাড়াই এবং সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি। সকলের সুন্দর ও সুস্থ জীবন কামনা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2022 Todaysylhet24.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET